ঢাকার সাথে অস্ট্রিয়ার রাজধানী ভিয়েনার সরাসরি বিমান যোগাযোগের খসড়া চুক্তি অনুমোদন

ঢাকা থেকে বিশেষ প্রতিনিধি,মাহবুবুর রশিদঃ প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সভাপতিত্বে মন্ত্রিপরিষদ ঢাকা ও ভিয়েনার মধ্যে সরাসরি বিমান যোগাযোগের জন্য খসড়া চুক্তির অনুমোদন দিয়েছেন। ১৯ অক্টোবরর সোমবার মন্ত্রী পরিষদ সচিব খন্দকার আনোয়ারুল ইসলাম বাংলাদেশ সচিবালয়ে সাংবাদিকদের ব্রিফিংয়ের সময় এ তথ্য জানান।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সভাপতিত্বে মন্ত্রিপরিষদ বাংলাদেশের সাথে ইউরোপীয় দেশগুলির মধ্যে আরও গভীর সম্পর্কের ও যোগাযোগের উপর গুরুত্ব আরোপ করেন। এরই ধারাবাহিকতায় মধ্য ইউরোপীয় দেশ সমূহের সাথে ব্যবসা,বাণিজ্য ও প্রবাসীদের সুবিধার্থে অস্ট্রিয়ার রাজধানী ভিয়েনার সাথে সরাসরি বিমান যোগাযোগের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।।‘এয়ার সার্ভিসেস অ্যাগ্রিমেন্ট বিটউইন দ্যা অষ্ট্রিয়ান ফেডারাল গর্ভনমেন্ট এন্ড দি গভর্নমেন্ট অব দ্য পিপল’স রিপাবলিক অব বাংলাদেশ’ শীর্ষক চুক্তিটি স্বাক্ষরিত হলে বাংলাদেশের সঙ্গে ভিয়েনাসহ ইউরোপের অন্যান্য গন্তব্যে বিমানের ফ্লাইট এবং কার্গো ফ্লাইট পরিচালনার সুযোগ অবারিত হবে।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা গণভবন থেকে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে সচিবালয়ের মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের বৈঠকের সভাপতিত্ব করেন। মন্ত্রিপরিষদ সচিব আরও বলেন, প্রস্তাবিত চুক্তিটি স্বাক্ষরিত হলে এটি বাংলাদেশ এবং অষ্ট্রিয়ার মধ্যে সরাসরি ফ্লাইট পরিচালনার মূল ভিত্তি হিসেবে পরিগণিত হবে। তাছাড়াও দুই দেশের মধ্যে বিমান যোগাযোগ স্থাপিত হলে ব্যবসা-বাণিজ্য, শ্রমবাজার, শিল্প, স্বাস্থ্য এবং প্রতিরক্ষা খাতে সহযোগিতা বৃদ্ধি পাবে। একইসাথে ইউরোপের অন্য দেশের সঙ্গেও বিমান যোগাযোগ সহজতর হবে।

মন্ত্রিপরিষদ সচিব আরও বলেন,সুইজারল্যান্ডের জেনেভার মত ভিয়েনাতেও বেশ কয়েকটি আন্তর্জাতিক সংস্থার সদর দপ্তর রয়েছে। ফলে ভিয়েনার সাথে সরাসরি যোগাযোগ স্থাপিত হলে আমাদের জন্যও অনেক সুবিধা হবে। আন্তর্জাতিক সিভিল এভিয়েশন অর্গানাইজেশনের স্ট্যান্ডার্ড অনুযায়ীই এই চুক্তিটি করা হয়েছে বলেও জানান তিনি।

অস্ট্রিয়ার সাথে বিমান যোগাযোগের‘এই চুক্তির মূল বিষয়টা হচ্ছে- উভয় দেশ পারষ্পরিক আলোচনার ভিত্তিতে যাত্রী এবং কার্গো ফ্লাইটের সংখ্যা নির্ধারণ করতে পারবে। চুক্তি অনুস্বাক্ষরের তারিখে একটি এমওইউ দ্বারা উভয় দেশের মনোনীত বিমান সংস্থা সপ্তাহে ৭টি যাত্রী এবং কার্গো ফ্লাইট পরিচালনা করতে পারবে মর্মে নির্ধারণ হয়েছে।’

অস্ট্রিয়াতে বর্তমানে প্রায় ৭ হাজার বাংলাদেশী প্রবাসী বসবাস করেন। ২০১৩ সালে ভিয়েনায় বাংলাদেশ দূতাবাস ও স্থায়ী মিশন স্থাপিত হয়েছে। বাংলাদেশে অস্ট্রিয়ার কোন দূতাবাস নাই। নতুন দিল্লিতে অস্ট্রিয়ান দূতাবাস বাংলাদেশে কনসুলেট সার্ভিসের মাধ্যমে কাজ করে থাকেন।

 10,583 total views,  1 views today