চর কুকরি মুকরির সৌন্দর্যে মুগ্ধ প্রকৃতি প্রেমীরা

 মোঃ তরিকুল ইসলাম, চরফ্যাশন (ভোলা) প্রতিনিধিঃ ভোলার সাগরপাড়ের চর কুকরি মুকরির সবুজ বন, সাগরের নির্মল বাতাস, সাথে অতিথি পাখির জলকেলির অপরূপ দৃশ্য মুগ্ধ করে প্রকৃতি প্রেমীদের। এখন দেশ-বিদেশের অনেক পর্যটক এমন সব দৃশ্য দেখতে ছোট্ট এই দ্বীপে ভিড় করছেন।তবে পর্যটকের সংখ্যা বাড়লেও বাড়েনি প্রয়োজনীয় সুযোগ সুবিধা।

স্রোতস্বিনী জলের ঢেউ তরঙ্গে ভাসমান একটি দ্বীপ, যেখানে আছে সবুজের হাতছানি। আছে ধূসর বালুচরে লাল কাঁকড়াদের আধিপত্য। দেখে মনে হয় পুরো দ্বীপটাই যেনো ওদের দখলে। আছে সাদা বকের মিছিলে পুরো দ্বীপ জুড়ে শান্তির স্লোগান। যে জলকেলীতে মন ভিজিয়ে নেয় পর্যটকও।

ছই তোলা নৌকায় আছে জেলেদের মাছ ধরার আনন্দ, আছে রৌদ্র-ছায়ার খেলায় দ্বীপের নরম পলির সৈকতে জাল বোনার কারসাজিও।

সবুজের বুক চিরে সাগর তীর ঘেষে দাঁড়িয়ে আছে আকাশ ছোঁয়া নারকেল বাগান। আছে তাড়ুয়া বিচ সহ অসংখ্য ডুবোচর। এসব চর থেকে পূর্ব পশ্চিমে তাকালেই মনে হয় সাগর পাড়ের শুভ্রসাদা মেঘ আর দিগন্ত বিস্তৃত আকাশ যেন আলিঙ্গন করছে।

সবকিছু মিলিয়ে প্রকৃতি যেনো তার সবটুকু রুপ ঢেলে দিয়েছে আকুণ্ঠচিত্তে। চর কুকরীমুকরী তাই পর্যটকদের কাছে নিজেকে নতুন রুপে সাজিয়ে নেবার একটি হৃদয় চরাচর। এখানকার প্রাকৃতিক সৌন্দর্য্যে ব্যস্ত জীবনে প্রশান্তির ছোঁয়া লাগলেও ভোলা জেলা সদর থেকে ১২০ কিলোমিটার দূরে এই দ্বীপে পৌঁছতে পর্যটকদের পোহাতে হয় বেশ বেগও।

কেবল যাতায়াত ব্যবস্থা নয়, রয়েছে আবাসন সংকটও। যদিও সম্প্রতি বেসরকারি উদ্যোগ কিছুটা হলেও কাটিয়েছে তা দ্বীপ চর কুকরীমুকরীতে গড়ে উঠেছ বেশ কিছু স্টোর হোম, যা শুধু আবাসন সহজলভ্যই করেনি, তৈরী করেছে আয়ের উৎসও। 

পর্যটন সংশ্লিষ্টরা বলছেন, প্রয়োজন সঠিক পরিকল্পনা আর নীতিমালা প্রনয়ন। তখন শুধু দেশী নয় চর কুকরীমুকরীর সৌন্দর্য্যে পাড়ি জমাবে বিদেশি পর্যটকও।

 9,176 total views,  1 views today