বার্সেলোনায় কায়ে জিরোনা ১৭২ নং হল রোমে আবারো হাসিনাঃ “এ ডটার্স টেল” প্রদর্শিত।

                                                                                                                                                                                                                                                                                বার্সেলোনা থেকে বিশেষ প্রতিনিধি, মহিউদ্দিন হারুনঃ জীবন থেকে নেয়া দু  বোনের গল্প অবলম্বনে হাসিনাঃ এ ডটার্স টেল বাংলাদেশ দূতাবাসের তত্ত্বাবধানে ও কাসা এশিয়ার সৌজন্যে ৩রা নভেম্বর জেলহত্যা দিবসে বার্সেলোনার কায়ে জেরোনার ১৭২ নং হলরোমে স্পেনে অবস্হিত বাংলাদেশ দূতাবাসের এ্যাম্বাসেডর হাসান মাহমুদ খন্দকার ও পরিচালক পিপলু খানের উপস্থিতিতে দেশী ও বিদেশী প্রচুর দর্শক সমাগমন এর মধ্য দিয়ে প্রদর্শিত হয়। চলচিত্রের নাম ভূমিকায় ছিলেন প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনা সাথে সহোদরা শেখ রেহেনা। ১৫ ই আগস্ট জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের স্বপরিবারে হত্যা কান্ডের পর গভীর শোক কে শক্তিতে পরিনত করে মানবতার সেবক হয়ে ফিরে আসা যেন রূপকথাকেও হার মানায় ।  পরিচালক পিপলু খানের, ৭২ মিনিটের এই পূর্ণ দৈর্ঘ্য  প্রামান্য তত্ত্বচিত্রে শেখ হাসিনার রাজনৈতিক ও সংগ্রামী জীবনের বাস্তব ট্রাজেডির সমন্বয় ঘটাতে সক্ষম হয়। টিকেট সংগ্রহের মাধ্যমে পিন পতন শব্দে হলভর্তি দর্শক প্রামাণ্য চলচ্চিত্রটি উপভোগ করেন। 

 

 

প্রামান্য চলচ্চিত্র চলাকালে উপস্থিত ছিলেন স্পেনে অবস্হিত বাংলাদেশ দূতাবাসের রাষ্ট্রদূত হাসান মাহমুদ খন্দকার, দূতাবাসের প্রধান চ্যান্সারি হারুনুর রশীদ, হাসিনাঃ এ ডটার্স টেল প্রামাণ্য চলচ্চিত্রের পরিচালক পিপলু খান, বার্সেলোনায় অবস্হিত বাংলাদেশ দূতাবাস বার্সেলোনার প্রধান নির্বাহী রামন পেদ্রো,কাসা এশিয়ার ডিরেক্টরা মেনেনেগ্রাস সহ উপস্থিত ছিলেন বার্সেলোনায় অবস্হিত রাজনৈতিক,সামাজিক ও সাংবাদিক ব্যক্তিবর্গ। তত্ত্ব চিত্র প্রদর্শন কালে হলভর্তি দর্শক আবেগে আপ্লুত  হয়ে পড়েন। প্রদর্শন শেষে পরিচালক পিপলু খান ক্রমান্বয়ে দর্শকদের চলচ্চিত্রে প্রাসঙ্গিক প্রশ্নের উত্তর তুলে ধরেন। পরিশেষে রাষ্ট্রদূত হাসান মাহমুদ খন্দকার সাংবাদিকদের সাথে সাক্ষাৎকারে বলেন বিরল হত্যা কান্ডের পর বেচে থাকা দু‘বোনের গল্প তথা ক্ষত নিয়ে বাবার স্বপ্ন পূরনে মানবতার সেবায় নানা প্রতিকূলতায় নিজেকে উৎসর্গ করা মহীয়সী কন্যা শেখ রেহেনা এবং দেশরত্ন শেখ হাসিনা।

Leave a Reply

Your email address will not be published.