ভোলার কুঞ্জেরহাট মা ও শিশু কল্যাণ কেন্দ্রে ৭ বছরেও মিলেনি এমবিবিএস ডাক্তার

 গাজী তাহের লিটন, ভোলা: ভোলার বোরহানউদ্দিন উপজেলার ৪ নং কাচিয়া ইউনিয়নে প্রতিষ্ঠিত কুঞ্জেরহাট মা ও শিশু কল্যাণ কেন্দ্রে ৭ বছরেও মিলেনি একজন এমবিবিএস ডাক্তার।নেই একজন পাশ করা নার্স।স্থানীয় জনগণ হতাশা ব্যক্ত করে বলেন, ‘হাসপাতালটি আমাদের কোনো উপকারে আসেনি।’
 
সরেজমিন সূত্রে জানাযায়, ৪ নং কাচিয়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আলহাজ্ব আব্দুর রব কাজীর প্রদত্ত জমির ওপর ২০১৪-১৫ অর্থবছরে কুঞ্জেরহাট মা ও শিশু কল্যাণ কেন্দ্র স্থানীয় স্বাস্থ্যসেবায় স্বপ্ন জাগিয়ে প্রতিষ্ঠিত হয়। কিন্তু, সেই স্বপ্নপূরণে প্রতিষ্ঠানটি ব্যর্থ হয়।আধুনিক অবকাঠামো ও যন্ত্রপাতি সমৃদ্ধ প্রতিষ্ঠানে এখনো পর্যম্ত একজন এমবিবিএস মানের রেজিস্টার্ড চিকিৎসক নিযুক্ত করা হয়নি।নেই একজন নার্সও। তৃতীয় ও চতূর্থশ্রেণির দুইজন সহকারি ও একজন উপসহকারি কমিউনিটি চিকিৎসক কোনোমতে হাসপাতালটির নাম ‘বাঁচিয়ে’রেখেছেন।
 
আদৌ এই হাসপাতালটি এমবিবিএস চিকিৎসক পাবেন কী না এমন প্রশ্নের উত্তর এড়িয়ে গেছেন সংশ্লিষ্টরা। তবে জেলা সিভিল সার্জন সূত্র জানায়, স্বাস্থ্য অধিদপ্তরে কুঞ্জেরহাট মা ও শিশু কল্যাণ কেন্দ্রে চিকিৎসক দেয়ার বিষয়ে চাহিদা দেয়া রয়েছে। 
 
স্থানীয় এলাকাবাসী বলেন, কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মিত কুঞ্জেরহাট মা ও শিশু কল্যাণ কেন্দ্রটি কার্যত: জনস্বার্থে কোনো উপকারে আসেনি। শুধু বেড়েছে আশেপাশের জমির দাম, গড়ে উঠেছে বহুতলা ভবন। যেখানে ৭ বছর আগে ১ শতংশ জমির দাম ছিলো ৫০ হাজার টাকা, এখন তা বেড়ে হয়েছে ৬ লাখ থেকে ১০ লাখ টাকা।
 
সরকার প্রদত্ত কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মিত হাসপাতালটি পুর্ণাঙ্গরূপে চালু করতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ কামনা করেছেন সচেতন মহল। 

 14,602 total views,  1 views today