মে মাস সবচেয়ে ঝুঁকিপূর্ণ, সাবধানতা অবলম্বন করলে বেঁচে যাবে বাংলাদেশ : আইইডিসিআর

ঢাকা থেকে মহিবুর রহমান আদনান : করোনা আক্রান্তের হার যেভাবে এগুচ্ছে তাতে মে মাস হবে বাংলাদেশের জন্য গুরুত্বপূর্ণ একটি মাস। এই মাসে হয় করোনার প্রভাব কমবে, না হয় ভূল সিদ্ধান্তের কারণে এটি বাড়বে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের বেশ কয়েকজন কর্মকর্তা নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেছেন, মে মাসে ১ লাখ মানুষ করোনায় আক্রান্ত হতে পারে! আর মারা যেতে পারে ৮০০-১০০০ মানুষ! তবে এই কথার বিরোধীতা করেছেন রোগতত্ত্ব, রোগ নিয়ন্ত্রণ ও গবেষনা ইন্সটিটিউটের বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ডা. এএসএম আলমগীর ও বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ডা. মুসতাক।                                

তারা বলেন, বিষয়টি এভাবে যারা বলছেন বা প্রেডিকশন করেছেন তারা একটি ধারণার ওপর করেছেন। কিন্তু বাংলাদেশে এমন হওয়ার সুযোগ খুবই কম। বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ডা. মুসতাক বলেন, প্রত্যেকটি দিনই আমাদের কাছে গুরুত্বপূর্ণ। প্রত্যেকটি সপ্তাহ আমাদের কাছে গুরুত্বপূর্ণ। তবে মে মাসের দিকে আমরা তাকিয়ে আছি। এই মাসে যদি আমরা নিজেদের দুরুত্ব বজায় রাখতে পারি, তবে আক্রান্তের হার কমতে শুরু করবে। বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ডা. আলোমগীর বলেন, বাংলাদেশের মানুষের ভেতরে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বেশি এমন কথা যারা বলেন, তারা ভূলের সাগরে বাস করছেন। আমাদের কাছে এমন কোনো তথ্য নাই। আবার যারা বা যিনি বলছেন এক লাখ লোক আক্রান্ত হবে তাও ভূল। তবে যে হারে আক্রান্তের সংখ্যা বাড়ছে এভাবে চললে আমরা নিস্তার পাবো, হয়তো একটু সময় লাগবে।                                                           

তারা দুজনেই বলেন, অবশ্যই সবাইকে স্বাস্থ্যবিধি মানতে হবে। আইইডিসিআরের দেওয়া বিধি অনুযায়ী কলকারখানা ও গার্মেন্টসগুলোকে চালাতে হবে। বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তারা বলেন, গার্মেন্টস কলকারাখান খোলার আগে সব বিষয় ভালো করে বুঝে নিতে হবে। মালিকরা কি সব নিয়ম মেনে তা চালাতে পারবেন কি না। একটি সিদ্ধান্ত হতে পারে বিশাল ক্ষতির কারণ।

 4,910 total views,  1 views today