দীর্ঘ এক মাস পর দেশের মসজিদগুলো সব মুসল্লিদের নামাজের জন্য খুলে দেওয়া হয়েছে।

অন লাইন ডেস্ক থেকে, কবির আহমেদঃ করোনা পরিস্থিতিতে শর্তসাপেক্ষে গতকালই মসজিদে নামাজের অনুমতি দিয়েছে সরকার। এরপর প্রথম দিনেই আজ বৃহস্পতিবার জোহরের জামাত থেকে মসজিদে আসা শুরু করেন মুসল্লিরা। অনেকে আজানের আগেই উপস্থিত হন মসজিদে। তবে স্বাস্থ্যবিধি অনুযায়ী, মুসল্লিদের হাতে জীবাণুনাশক স্প্রে করেই মসজিদে প্রবেশের ব্যবস্থা করা হয়। বুধবার ধর্ম মন্ত্রণালয়ের এক জরুরি বিজ্ঞপ্তিতে স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলাসহ শর্তসাপেক্ষে আজ জোহর থেকে দেশের সব মসজিদে সুস্থ মুসল্লিদের জন্য পাঁচ ওয়াক্ত এবং তারাবির নামাজ জামাতে আদায় করার অনুমতি দেওয়া হয়।                

খোঁজ নিয়ে জানা যায়, আজ জোহরের নামাজ থেকে জাতীয় মসজিদ বায়তুল মোকাররমসহ মসজিদগুলোর প্রবেশপথে জীবাণুনাশক স্প্রে হাতে দাঁড়িয়ে রয়েছে মানুষ। ভেতরে বেড়েছে মুসল্লির সংখ্যা। কেউ নামাজ পড়ছেন কেউবা কোরআন তেলাওয়াত করছেন। তবে যারাই ভেতরে প্রবেশ করছেন হাতে জীবাণুনাশক স্প্রে করেই তাদের ভেতরে ঢুকতে দেওয়া হচ্ছে। প্রতি ওয়াক্তের নামাজে মাত্র পাঁচজন ও শুক্রবারের নামাজে (জুমা) ১০ জন এবং রোজার শুরুর পর ১২ জন নিয়ে তারাবিহর নামাজ হচ্ছিল। এক মাসেরও বেশি সময় পর আজ বৃহস্পতিবার জোহরের নামাজের সময় থেকে শর্তসাপেক্ষে সব মুসল্লির মসজিদে প্রবেশের অনুমতি দেওয়ার কারণে অনেকে আগেই মসজিদে এসে শোকরানা নামাজ পড়ছেন।                                                                                                                            মসজিদে নামাজের জন্য ধর্ম মন্ত্রণালয়ের বেঁধে দেওয়া ১২ দফা শর্তের মধ্যে রয়েছে- মসজিদে কার্পেট বিছানো যাবে না। পাঁচ ওয়াক্ত নামাজের আগে সম্পূর্ণ মসজিদ জীবাণুনাশক দ্বারা পরিষ্কার করতে হবে, প্রত্যেকে নিজ নিজ দায়িত্বে জায়নামাজ নিয়ে আসবেন; মসজিদের প্রবেশদ্বারে হ্যান্ড স্যানিটাইজার/হাত ধোয়ার ব্যবস্থাসহ সাবান-পানি রাখতে হবে এবং আগত মুসল্লিকে অবশ্যই মাস্ক পরে মসজিদে আসতে হবে; প্রত্যেককে নিজ নিজ বাসা থেকে ওজু করে, সুন্নাত নামাজ আদায় করে মসজিদে আসতে হবে এবং ওজু করার সময় কমপক্ষে ২০ সেকেন্ড সাবান দিয়ে হাত ধুতে হবে।

 5,445 total views,  1 views today