কীর্ত্তিপাশায় রাস্তা নিয়ে একটি পরিবারকে হয়রানীর অভিযোগ

বাধন রায় ঝালকাঠি প্রতিনিধিঃ ঝালকাঠির কীর্ত্তিপাশা ইউনিয়নের পানজিপুথি পাড়া গ্রামে পূর্ব শত্রুতার জের ধরে বসত বাড়ির দুদিক দিয়ে রাস্তা নিয়ে একটি পরিবারকে হয়রানী ও উচ্ছেদের পায়তারার অভিযোগ উঠেছে। গ্রামের মকবুল হোসেন তার প্রতিবেশি ও স্বজন মিজানুর রহমান এবং হেমায়েত মিয়ার বিরুদ্ধে এ অভিযোগ তুলেছেন।                                                                                         

এ বিষয়ে মকবুল হোসনে বলেন, ইতিপূর্বে আমার বসত বাড়ির পূর্বদিকের গাছপালা জোরপূর্বক কেটে হেমায়েত মিয়া লোকজন নিয়ে ১০ ফুট চওড়া রাস্তা নেয়। যদিও হেমায়েতের বাড়ির সাথে মিজানুর রহমানের বাড়ির ৬ ফুট চওড়া রাস্তা আগেই ছিল। এ রাস্তা দুটি মৃত মিলন মেম্বর জীবিত থাকা অবস্থায় সরকারি বরাদ্দে নির্মান করে দেয়। বর্তমানে সড়কটি এলজিইডির কার্পেটিং সড়ক থেকে হেমায়েতের বাড়ি হয়ে মীরা বাড়ির সড়কের সাথে মিশেছে। কিন্তু পূর্বশত্রুতার জের ধরে সম্প্রতি মকবুল হোসেনের বাড়ির পশ্চিম দিকের জমির গাছপালা কেটে আরেকটি রাস্তা করার পায়তারা চালানো হচ্ছে। মকবুল হোসেন আরো জানান, তিনি এতে রাজি না হওয়ায় তাকে বিভিন্ন ভাবে ভয়ভীত দেখানো হচ্ছে। ২০১২ সনে হেমায়েত তার লোকজন নিয়ে মকবুলের বাড়ির পশ্চিম পার্শ থেকে রাস্তা নেয়ার জন্য গাছপালা কেটে ফেলে ।                

তখন মকবুল ও তার স্বজনরা বাঁধা দিলে হেমায়েত লোকজন নিয়ে হামলা চালায়। এতে মকবুল হোসেনের পরিবারের সদস্যরা রক্তাক্ত জখম হয়। এ ঘটনায় থানায় মকবুল হোসেন বাদী হয়ে মামলা করলে পুলিশ তদন্ত করে হামলাকারিদের বিরুদ্ধে আদালতে চার্জশীট দাখিল করে। ৭ বছর মামলটি চলমান থাকা অবস্থায় ২০১৯ সনে ইউপি চেয়ারম্যানের মধ্যস্থতায় মকবুল হোসেনের বাড়ির পূর্ব দিকের রাস্তাটি ঠিক রেখে সালিশ করেন।                                                                                                                                                             

এসময় মকবুল হোসেন বাড়ির পশ্চিম পার্শে আরেকটি রাস্তার দাবি অবৈধ এবং তাতে চেয়ারম্যানের অসম্মতি জানিয়ে উভয় পক্ষের সম্মতিতে বিচারাধীন মামলাটি আদালত থেকে মামলাটি প্রত্যাহারের ব্যবস্থা করেন। এর কমাস পরেই আবার হেমায়েত মিয়া মকবুল হোসেনরে বসত বাড়ির পশ্চিম দিকের রাস্তা নির্মানের পায়তারা শুরু করে বলে মকবুলের অভিযোগ। তিনি জানান কাবিখা প্রকল্প ও জলো পরিষদ থেেকে বরাদ্দ নিয়ে পূর্বদিকের ১০ ফুট চওড়া সড়কটি করা হয়।                                                                                       

এরপর আবার পশ্চিম দিকে আরেকটি সড়ক নির্মানের পায়তার করে আমাকে বাড়ি থেকে উচ্ছেদের চেষ্টা করা হচ্ছে। আমি এ ষড়যন্ত্রের প্রতিবাদ জানিয়ে প্রশাসনসহ সংশ্লিষ্ট সবার সহযোগীতা কামনা করছি। এ বিষয়ে হেমায়েত মিয়া জানান, মকবুলের পশ্চিম পার্শে খাল ও খালের পাড় সরকারি সম্পত্তি। সরকারসেখান থেকে রাস্তা নিলে আমাদের কিছুই করার নেই। খাল পাড়ের জমির পর মকবুলের বাড়ির জমি। সেখান থেকে সে রাস্তার জমি না দিলে আপনি কি ভাবে রাস্তা করবেন জানতে চাইলে হেমায়েত বলেন এ বিষয়ে আপনি এলাকায় এলে সাক্ষাৎতে কথা হবে বলে লাইন কেটে দেন।

 5,093 total views,  1 views today