হাজার হাজার ভক্তদের কাদিয়ে না ফেরার দেশে চলে গেলেন অদ্বৈতানন্দ ব্রক্ষ্মচারী (অজিত গোসাই)

 জাহিদুল ইসলাম দুলাল, লালমোহন (ভোলা) প্রতিনিধি: বরিশাল বিভাগের প্রখ্যাত ধর্ম যাজক শ্রী শ্রী অচ্যুতানন্দ ব্রক্ষ্মচারী অনিল বাবাজীর সুযোগ্য উত্তোরসূরী হাজার হাজার শিষ্যের গুরুদেব শ্রী শ্রী অদ্বৈতানন্দ ব্রক্ষ্মচারী (অজিত গোসাই) ৩০ জুন ২০২০ মঙ্গলবার বিকাল ৫টা ৫২ মিনিটে জীর্ন জগতের মায়া ত্যাগ করে শ্রীকৃষ্ণ চরন প্রাপ্তির লক্ষ্যে নিত্যলীলায় গমন করেছেন। দিব্যান লোকান স:গচ্ছতু।

দীর্ঘ দিন যাবত অসুস্থ থাকার পর ৩০ জুন ২০২০ উন্নত চিকিৎসার জন্য লঞ্চযোগে ভোলা থেকে ঢাকা নেয়ার পথে ভোলা লঞ্চে তিনি দেহ ত্যাগ করেন।

লঞ্চ থেকে মরদেহ এ্যম্ভুলেন্স যোগে ভোলা বাপ্তা মহাপ্রভুর আশ্রমে ভক্তদের দর্শনের জন্য কিছু সময় রাখা হয়। এর পর ভোলার আরও ৩ টি মন্দিরে ভক্তদের দর্শনের জন্য নেয়ার পর বোরহানউদ্দিন উপজেলার ৫টি মন্দিরে ভক্তদের দর্শনের পর বোরহানউদ্দিনের কুতবা মন্দিরে রাত্রে মরদেহ রাখা হয়। ১ জুলাই ২০২০ বুধবার চরফ্যাশন মন্দির হয়ে কর্তারহাট মন্দির গজারিয়া মন্দির হয়ে বেলা ১ টায় লালমোহন শ্রী শ্রী মদনমোহন জিউ মন্দির প্রাঙ্গনে ভক্তদের দর্শদের জন্য কিছু সময় রাখা হয়। এ সময় টেলিকনফারেঞ্চে উপস্থিত ভক্তদের উদ্দেশ্যে সমবেদনা জানান এমপি নুরুন্নবী চৌধুরী শাওন। তিনি সকলকে সামাজিক দুরত্ব বজায় রেখে শ্রী শ্রী অদ্বৈতানন্দ ব্রক্ষ্মচারী (অজিত গোসাই) এর মরদেহ ভক্তদের দর্শনের জন্য অনুরোধ করেন। তিনি আরও বলেন তজুমদ্দিন উপজেলার সম্ভুপুর ইউনিয়নের অনিল বাবাজি স্বরুপ আশ্রমে শ্রী শ্রী অদ্বৈতানন্দ ব্রক্ষ্মচারী (অজিত গোসাই) এর সাথে আমার সাক্ষাত হওয়ার সৌভাগ্য হয়। তিনি অত্যন্ত উচ্চ মার্গর একজন ধমর্যাজক ছিলেন। তার মৃত্যুতে আমি গভীর শোক প্রকাশ করছি। এ সময় অজিত গোসাই এর ভক্তসহ লালমোহন মন্দিরের কমিটির সদস্যবৃন্ধ উপস্থিত ছিলেন।

২ জুন ২০২০ বৃহস্পতিবার সকাল ১০টায় শ্রী শ্রী অদ্বৈতানন্দ ব্রক্ষ্মচারী (অজিত গোসাই) এর ইচ্ছা অনুযায়ী গুরুগৃহে তজুমদ্দিন উপজেলার সম্ভুপুর স্বরুপ আশ্রমে সমাধিস্থ করা হবে।

উল্লেখ্য শ্রী শ্রী অদ্বৈতানন্দ ব্রক্ষ্মচারী (অজিত গোসাই) চাকুরীর সুবাধে ভোলা জেলায় আগমন করেন। তিনি শ্রী শ্রী অচ্যুতানন্দ ব্রক্ষ্মচারী অনিল বাবাজীর শীষ্যত্ব গ্রহণ করার পর সরকারী চাকুরী ছেড়ে ধর্মপ্রচারে মনোনিবেশ করেন এবং শ্রী শ্রী অচ্যুতানন্দ ব্রক্ষ্মচারী অনিল বাবাজীর অসমাপ্ত কাজকে সমাপ্ত করার কাজ হাতে নেন এবং তার হাত ধরে হাজার হাজার শিষ্য তৈরী হয়। তার পৈত্বিক নিবাস ছিল চট্রগ্রাম জেলার বাশখালী উপজেলায়।

 

 4,941 total views,  1 views today