লালমোহনে রাতের আধারে ঘরের বেড়া ভেঙ্গে লুটতরাজ গৃহবধুকে ধর্ষণ করার অভিযোগ

 জাহিদুল ইসলাম দুলাল(ভোলা)  প্রতিনিধি: ভোলার লালমোহনে রাতের আধারে ঘরের বেড়া ভেঙ্গে লুটতরাজ গৃহবধুকে ধর্ষণ করা  হয়েছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে ।জানা যায় কালমা ইউনিয়নের ৮নং ওয়ার্ডের চরলক্ষী গ্রমের মৃধা বাড়ীতে ২২ জুলাই প্রতিদিনের মত ঘুমিয়ে ছিলেন গৃহবধু আছমা ও তার ঝাঁ মানছুরাসহ সন্তানেরা। তাদের দুজনেরই স্বামী কাজের কারনে চরফ্যাশন উপজেলার দুলারহাটে অবস্থান করেন। এই সুযোগে আনুমানিক রাত ১টার সময় ঘরের পিছনের বেড়া ভেঙ্গে ৭/৮জন দুর্বৃত্তরা তাদের ঘরে প্রবেশ করে। ঘরে প্রবেশ করে দুর্বৃত্তরা ঘরের বাতি বন্ধ করে মানছুরা ও আছমা কে মুখ বেধে ঘরের খুটির সাথে বেধে ফেলে  এবং লুট করে। এ সময় তারা ঘরের ট্রাঙ্ক ভেঙ্গে কাগজের নিচে থাকা নগদ ৭০ হাজার টাকা, গলায় থাকা স্বর্ণের চেইন, কানের জিনিষ ও মোবাইল নিয়ে যায় এবং ঘরের কাগজপত্র তছনছ করে। হাত বাধা অবস্থায় অন্ধকারে জোর পূর্বক মানছুরাকে ২জনে ধর্ষন করে বলে জানান মানছুরা নিজেই। মানছুরা আরও জানান ঘরের বাতি জালানো ছিল এবং দুর্বৃত্তদের প্রথমে যে ঘরে ডুকে তাকে আমি চিনতে পারি।       

সে এই এলাকার আবদুল হাই।তাদের ধস্থাধস্থিতে ঘুমিয়ে থাকা ছোট ছেলে মেয়েরা চিৎকার করে উঠলে বাড়ীতে অন্য ঘরে ঘুমিয়ে থাকা শ্বশুর শাশুড়ী জেগে উঠে এবং তাদের ঘরে কি হয়েছে জানতে চান। এই সুযোগে দুর্বত্তরা চলে যায়। শ্বশুর শাশুড়ী প্রথমে মনে করেছিল ওদেরকে বোবা (জিনে) ধরেছে। পরে পিছন দিয়ে ঘরে এসে বাতি জ্বলিয়ে দেখে ২ পুত্রবধুর হাত বাধা অবস্থায় পড়ে আছে এবং পুরো ঘরে কাগজপত্র তছনছ অবস্থায় পড়ে আছে। শ্বশুর শাশুড়ী পুত্রবধুদের  হাতের বাধন খুললে তারা ঘটনা তাদেরকে বলেন। ঘটনার পর মানছুরার স্বামী হারুনকে  মোবাইলে জানালে সে এলাকার চৌকিদার মহিবুল্যাহ কে মোবাইলে ঘটনা সম্পর্কে জানান।  চৌকিদার রাতেই লালমোহন থানায় জানালে লালমোহন থানা থেকে রাতেই পুলিশ এসে ঘটনা জেনে যায়। পরদিন বৃহস্পতিবার অসুস্থ গৃহবধু আছমা ও মানছুরাকে লালমোহন হাসপাতালে ভর্তি করা হলে ধর্ষনের স্বীকার মানছুরার অবস্থা দেখে তাকে লালমোহন হাসপাতাল থেকে ভোলা হাসপাতালে রেফার করা হয় এবং আছমা এখনও লালমোহন হাসপাতালে ভর্তি অবস্থায় রয়েছে। এ ব্যাপারে মানছুরার স্বামী বলেন ব্যাপারটি নিয়ে মামলা করা হবে এবং মামলার প্রস্তুতি চলছে।    

 5,927 total views,  1 views today