ঝালকাঠিতে নিরবিচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহের জন্য নুতন ৩৩/১১ কেভি বিদ্যুৎ উপকেন্দ্র নির্মাণ কাজ শেষের পথে

 বাধন রায়,ঝালকাঠি প্রতিনিধিঃ বাংলাদেশের ৬৪ জেলা শহরের ১২শ কোটি টাকা ব্যয় বিদ্যুৎ বিতরণ ও বিক্রয় প্রতিষ্ঠান ওজোপাডিকো আপগ্রেডেশন প্রকল্পের আওতায় ৩৩/১১ কেভি ৬৪টি বিদ্যুৎ উপকেন্দ্র নির্মাণ করছেন। ঝালকাঠিতে বিশেষ করে জেলা শহরে আগামি ৫০ বছর ক্রমবর্ধমান চাহিদা বৃদ্ধিকে সামনে রেখে নিরবিচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ ব্যবস্থাপনার  জন্য দ্বিতীয় বিদ্যুৎ উপকেন্দ্রের নির্মাণ কাজ এগিয়ে চলছে। ২০২১ সালের জানুয়ারি মাসের মধ্যে ১৩ কোটি টাকা ব্যয় বিদ্যুৎ বিভাগ (ওজোপাডিকো) উপকেন্দ্র নির্মাণের কাজ শেষ করে চালূ করতে পারবেন। বিদ্যুৎ বিভাগের সরবরাহ কেন্দ্রে নিজস্ব জায়গায় ১৩ কোটি টাকা ব্যয়ে নুতন ৩৩/১১ কেভি বিদ্যুৎ উপকেন্দ্রটি নির্মাণ করছে। ভারতীয় প্রতিষ্ঠান লারসেন টুরবো নামের প্রতিষ্ঠান এই উপকেন্দ্রটি নির্মাণ করছেন। ২০১৮ সালে ২২ নভেম্বর ওজোপাডিকোর খুলনার প্রধান প্রকৌশলী মোঃ শফিকউদ্দীন এর ভিত্তিফলক স্থাপন করেছিলেন। একই সাথে বরিশালের রুপাতলীর গ্রীড জোনের সাথে ঝালকাঠির ১৭ কি.মি সঞ্চালন লাইনকেও সংস্কার করে অধিক লোড ধারণ ক্ষমতা সম্পন্ন আরেকটি প্রকল্প হাতে নেওয়া হয়েছে।

১৯৯৩ সালে নতুন কলেজ রোড সড়কে ওজোপাডিকো অনুরূপ বিদ্যুৎ উপকেন্দ্র নির্মান করা হয়েছে। এই কেন্দ্রটি পুরাতন হলেও আরও ক্রমবর্ধমান চাহিদা পূরণ করে আরও ২০বছর কেন্দ্রটির সক্ষমতা রয়েছে কিন্তু সরকার বাংলাদেশকে ডিজিটালাইজেশনের অঙ্গিকার পূরনে সার্বক্ষণিক নিরবিচ্ছিন্ন ব্যবস্থা সচল রাখার স্বার্থে নতুন এই উপকেন্দ্রটি নির্মাণ করছে। কখনও পুরাতন উপকেন্দ্রটিতে কোন সমস্যা হলে বিদ্যুৎ বিচ্ছিন্ন হয়ে মানুষকে দূর্ভোগে না পরতে হয় সে কারণে নুতন উপকেন্দ্র থেকে বিদ্যুৎ সরবরাহ সচল রাখার ব্যাবস্থা করা হয়েছে। এছাড়াও পুরাতন উপকেন্দ্রের আওতায় শহরের বড় বড় এলাকা নিয়ে ফিডার রয়েছে । নুতন বিদ্যুৎ উপকেন্দ্রে বড় বড় ফিডারগুলোকে ছোট ছোট এলাকা নিয়ে ফিডার সংখ্যা বাড়ানো হচ্ছে। ফিডার বাড়ানোর কারণে অনাকাঙ্খিত ত্রুটি বিচ্যুতির জন্য দুর্ভোগের পরিসর কমানো যাবে বলে ওজোপাডিকোর ঝালকাঠির নির্বাহী পরিচালক।

 8,846 total views,  1 views today