অস্ট্রিয়ায় করোনার সংক্রমণ বৃদ্ধি অব্যাহত থাকলে ক্রিসমাসের সময় লকডাউন – ভাইরোলজিস্ট Norbert Nowotny

 অন লাইন ডেস্ক থেকে,কবির আহমেদঃ ভিয়েনার শীর্ষ সংক্রমণ রোগ বিশেষজ্ঞ Prof. Dr. Norbert Nowotny মঙ্গলবার সন্ধ্যায় অস্ট্রিয়ার টেলিভিশন নেটওয়ার্ক Plus4 এর সাথে এক সাক্ষাৎকারে উপরোক্ত মন্তব্য করেন। ভাইরোলজিস্ট অস্ট্রিয়ার বর্তমান করোনার পরিস্থিতি সম্পর্কে নিজের অভিমত ব্যক্ত করছিলেন। তিনি বর্তমান সংক্রমণের পরিসংখ্যান অনুযায়ী আগামী ক্রিসমাসের সময় অস্ট্রিয়ায় পুনরায় লকডাউন আসতে পারে বলে ধারণা করছেন। বর্তমানে অস্ট্রিয়ায় করোনার সংক্রমণ বৃদ্ধি বেশ “উদ্বেগজনক” বলে জানান তিনি। জনগণের উদ্দেশ্যে এক অনুরোধে তিনি করোনার সংক্রমণ বিস্তার হ্রাসে স্বাভাবিক বিধিনিষেধ সমূহ যেমন মাস্ক ,শারীরিক দূরত্ব এবং সামাজিক যোগাযোগ কমিয়ে আনার পরামর্শ দেন। যেহেতু এটি একটি খুবই ছোঁয়াচে ভাইরাস তাই যথাসম্ভব কম মানুষের সংস্পর্শে আসা যায় ততই ভালো। কেন ডিসেম্বরের তৃতীয় সপ্তাহে লকডাউন আসতে পারে তিনি তার একটা ব্যখ্যা দেন।                                                                                                                                                                                               

তিনি গত কয়েক দিনের সংক্রমণের সংখ্যা বিশ্লেষণ করে বলেন,আমি বেশ উদ্বিগ্ন এবং আগামী সপ্তাহের জন্যও ভাল পূর্বাভাস নেই। প্রতিদিনের নতুন সংক্রমণের সংখ্যা এখন প্রায় ৩,০০০ হাজারের ঘরে। তিনি আবারও সবাইকে সতর্ক করে বলেন সবাই সচেতন হন কেননা বর্তমান পরিস্থিতি “একেবারে উদ্বেগজনক”। Nowotny হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন যে,এই সময় যদি করোনার বিধিনিষেধ সমূহ যথাযথভাবে কার্যকর না হয় তাহলে লকডাউন এড়ানো সম্ভব হবে না। যদি করোনার পদক্ষেপগুলি কাজ না করে তবে এটি আরও ভাল বা আরও খারাপের জন্য লকডাউনের দিকে পরিচালিত করবে। তার ধারনা হ’ল ক্রিসমাসের ছুটিতে একটি লকডাউন আসতে পারে, যা তিন সপ্তাহের জন্য প্রয়োগ করা হতে পারে যেমন, ২০ ডিসেম্বর থেকে ১০ জানুয়ারী ২০২১ পর্যন্ত।

অবশ্য তিনি আরও জানান, শুধুমাত্র লকডাউনই সমস্যার সমাধান আনবে না। লকডাউনের পূর্বে করোনার বিধিনিষেধ দেশব্যাপী পুনরায় তীক্ষ্ণ বা কঠোর করতে হবে,তবে বিশেষত যে সমস্ত জেলাগুলিতে ট্র্যাফিক লাইট লাল সেখানে বেশী সচেতন হওয়া। তিনি কারফিউকে সামনে আনার পক্ষেও বক্তব্য রেখেছিলেন। তার মতে রেস্টুরেন্ট বার, ক্লাব এবং রাত্রিকালীন সমস্ত কার্যক্রম রাত ১০ টা থেকে ভোর ৫ টা পর্যন্ত বন্ধ রাখার উচিত। তিনি বলেন, সরকার যদি এখনই সান্ধ্যকালীন কারফিউ এবং বিধিনিষেধ কঠোর করতে পারে তাহলে হয়তোবা লকডাউন লাইট দিয়ে উদ্ভূত পরিস্থিতি থেকে বেড়িয়ে আসতে পারবে।

 10,263 total views,  1 views today