আগামী বুধবার থেকে অষ্ট্রিয়ায় সুপার মার্কেটে এবং ঘরের বাহিরে যেতে “মাস্ক” বাধ্যতামূলক

নিউজ ডেস্কঃ আজ সকাল ১১ টায় অষ্ট্রিয়ার প্রধান মন্ত্রী Sebastian Kurz,  উপ- প্রধান মন্ত্রী Werner Kogler, স্বাস্থ্য মন্ত্রী  Rudolf Anschober এবং স্বরাষ্ট্র মন্ত্রী Karl  Nehammer এক যৌথ সংবাদ সম্মেলন করেন। সংবাদ সম্মেলনে প্রধান মন্ত্রী বলেন,সুপার মার্কেট এবং বাহিরে যাওয়ার জন্য অবশ্যই মাস্ক ব্যাবহার করতে হবে । সুপারমার্কেটগুলিতে পর্যাপ্ত “মাস্ক” সরবরাহের সাথে সাথেই এই ব্যবস্থা নেওয়া শুরু হবে, এবং তা আগামী বুধবার থেকেই কার্যকর হবে । 

প্রধান মন্ত্রী বলেন,”মাস্ক” নিজেকে সংক্রমণ থেকে রক্ষা করার জন্য নয়, বরং অন্যকে সংক্রামিত করা থেকে বিরত রাখার জন্য ।                                                                                                 

উপ- প্রধান মন্ত্রী বলেন, সরকারের পদক্ষেপ গুলি আস্তে আস্তে শিথিল করা হবে । তিনি বলেন, সত্যটি হল করোনা  ঝড়ের আগে শান্ত থাকে, যখন আরম্ভ হয় তখন ঝড়ের থেকেও দ্রুত গতিতে চলে । আমদের প্রতিবেশী দেশ ইতালির দিকে তাকালে এই ঝড়টি কতটা নিষ্ঠুর হতে পারে, তা সহজেই অনুমান করা যায় ।                                                                       

তিনি  “এই রোগের বিস্তার  রোধ করতে”  প্রতিকারগুলি অনুসরণ করতে এবং সামাজিক যোগাযোগকে আরও হ্রাস করতে জনগণকে অনুরোধ করেন । তিনি বলেন, বাস্তব সম্মত চিত্র পেতে, বর্তমানে ২ হাজার লোক পরীক্ষা করা হবে ।  যাতে অনুমান করা যায় যে, সপ্তাহের শেষের দিকে আসলে কত লোক এবং কি ভাবে সংক্রমণে আক্রান্ত হয়েছে। এই ধরনের পরীক্ষাগুলি স্বাস্থ্যকর্মী এবং পুলিশদের দিয়েও করানো হবে ।  

তিনি জোড় দিয়ে বলেন যে, ইস্টার এর পরে ব্যবস্থাগুলি শিথিল করা যাবে না, অন্যথায় চিকিৎসাগুলির  সক্ষমতা সীমা ছাড়িয়ে যাবে এবং এর অর্থ “আরও অনেক বেশি মৃত্যু” হবে। তাই তিনি জনগণের কাছে আবেদন করেন “যতটা সম্ভব বেশী বেশী বেশী লোকের জীবন বাঁচাতে সহায়তা করুন”                       
স্বরাষ্ট্র মন্ত্রী বলেন, এখন থেকে সব আবাসিক হোটেল বন্ধ থাকবে, যাতে করে কেউ বাহির থেকে এসে করোনা বিস্তার করতে না পারে ।                                                                                       

এদিকে সর্বশেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত ৪৯,৪৫৫ জনকে করোনার পরিক্ষা করা হয়েছে এবং ৮,৮১৩ জন কে শনাক্ত করা হয়েছে ।                                                                                                         

এ পর্যন্ত ১০৮ জন মৃত্যু বরণ করেছে এবং ৬৩৬ জন সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন । আইসিইউ তে আছেন ১৮৭ জন ।  

 

 4,785 total views,  1 views today