জার্মানির বায়ার্ন মিউনিখের ১-০ গোলে প্যারিস সেন্ট-জার্মেইনকে পরাজিত করে চ্যাম্পিয়নস লীগের শিরোপা লাভ !

 অন লাইন ডেস্ক থেকে,কবির আহমেদঃ রবিবার ২৩ আগস্ট সন্ধ্যায় পর্তুগালের রাজধানী লিসবনে ইউরোপীয় ক্লাব ফুটবল টুর্নামেন্টের সবচেয়ে জমজমাট আসর UEAF Champions League এর ফাইনাল খেলায় জার্মানির এফ সি বায়ার্ন মিউনিখ ফ্রান্সের প্যারিস সেন্ট-জার্মেইনকে ১-০ গোলে পরাজিত করে শিরোপা জয় করল। খেলার দ্বিতীয়ার্ধে ৫৯ মিনিটের মাথায় বায়ার্ন মিউনিখের পক্ষে জয় সূচক গোলটি করেছেন ফ্রান্সের নাগরিক উইঙ্গার কিংসে ক্যোমান। কিংসে কোম্যান গত বৎসর প্যারিস সেন্ট-জার্মেইন থেকে বায়ার্ন মিউনিখে আসেন। আজ তার গোলেই তার সাবেক দল হারলো। এই জয়ের ফলে বায়ার্ন মিউনিখ পুরস্কার স্বরুপ অর্জন করল চ্যাম্পিয়নস ট্রফি সহ প্রাইজ মানি ১৯ লক্ষ ইউরো। ফাইনালে উঠায় উভয় দলই পাবে আরও ১৫ লক্ষ ইউরো করে। বায়ার্ন মিউনিখ চূড়ান্ত পর্বে (৩২ দল) ফাইনাল পর্যন্ত বিভিন্ন খেলায় জয়ী হয়ে প্রায় ৯০ লক্ষ ইউরো (৯ মিলিয়ন ইউরো) অর্জন করেছে।

ফাইনালে ঝলক দেখাতে পারেননি প্যারিসের বিশ্ব সেরা তরুণ প্রতিভা কিলিয়ান এমবাপ্পে। পায়ের ছন্দ মেলেনি সবচেয়ে দামী ফুটবলার নেইমারের। পিএসজির সেমিফাইনালের নায়ক ডি মারিয়া অভিজ্ঞতা ফলাতে পারেননি। তবে তাদের সবাই মিস করেছেন গোল।

লিসবনে রোববার রাতে চ্যাম্পিয়নস লিগের ফাইনালে বায়ার্ন মিউনিখ প্যারিসের দলটিকে মাঝমাঠে সীমাবদ্ধ করে ফেলে। সুযোগ বুঝে ১-০ গোলে পিএসজিকে হারিয়ে বায়ার্ন মিউনিখ নিশ্চিত করেছে চ্যাম্পিয়নস লিগের শিরোপা। দলের হয়ে একমাত্র গোলটি করেছেন বায়ার্নের ফ্রান্স উইঙ্গার কিংসে কোম্যান। তার ৫৯ মিনিটের গোলে ষষ্ঠ বারের মত ইউরোপের সেরা দলের খেতাব পেল জার্মানির চ্যাম্পিয়নস এফ সি বায়ার্ন মিউনিখ।

ম্যাচের প্রথমার্ধে গোল শূন্য শেষ করে দু’দল। মাঝমাঠে বায়ার্ন মিউনিখ কর্তৃত্ব করলেও গোল মুখে তারা পৌঁছাতে পারছিল না। আটকে যাচ্ছিল পিএসজির রক্ষণে। সেই সুযোগে পাল্টা আক্রমণের ছকে খেলা পিএসজি প্রথমার্ধে দারুণ তিনটি সুযোগ পায়। কিন্তু মিউনিখের দেয়াল খ্যাত জার্মানির জাতীয় দলের গোলরক্ষক ম্যানুয়েল ন্যয়ারে আটকে দেয় সবকটি সুযোগ।

প্রথমে নেইমারের নেওয়া দারুণ শট ফেরান ন্যয়ার। এরপর হতাশ করেন এমবাপ্পেকে। প্রথমার্ধে আরও একটি অসাধারণ সুযোগ হাতছাড়া করেন অ্যাঞ্জেল ডি মারিয়া। গোলরক্ষককে সরাসরি পেয়েও গোল করতে পারেননি তিনি। অন্যদিকে বায়ার্নের পক্ষে প্রথমার্ধে রবার্ট লেভানডস্কিও দারুণ একটি শট নেন। কিন্তু গোলবারে লেগে ফিরে আসে তার শট। কিন্তু শেষ পর্যন্ত বায়ার্নের হাই প্রেস ফুটবলের সঙ্গে পেরে ওঠেনি টমাস টুখেলের শিষ্যরা।

দুই দলের আক্রমণ ছিল অসাধারণ। বেশি গোলের ম্যাচ হওয়ার আভাস ছিল। কিন্তু ছোট জয়েই ২০১৩ সালের পর আবার চ্যাম্পিয়নস লিগের শিরোপা জিতলো জার্মানিরা। ।

 7,206 total views,  1 views today