অস্ট্রিয়ার অর্থ ও বাণিজ্য বিষয়ক মন্ত্রী Margarete Schramböck করোনা সন্দেহে ১০ দিনের কোয়ারান্টাইনে !

আগামী সোমবার থেকে ভিয়েনার রেস্তোঁরাগুলিতে বাধ্যতামূলক অতিথি তালিকায় নাম,ঠিকানা,মুঠোফোন বা ই-মেইল নাম্বার লিপিবদ্ধ করতে হবে

 অন লাইন ডেস্ক থেকে,কবির আহমেদঃ অস্ট্রিয়ান সরকার প্রধান চ্যান্সেলর কার্যালয়ের মন্ত্রী এডস্টাডলারের পরে পুনরায় আরও একজন মন্ত্রী হিসাবে মার্গারেট শ্রাম্বাক কোয়ারেন্টাইনে গেলেন।

অর্থ ও বাণিজ্য বিষয়ক মন্ত্রী মার্গারেট শ্রাম্বাক আজ ভিয়েনায় এক সাংবাদিক সম্মেলনে জানান, গত সোমবার জার্মানির বার্লিনে ইইউ বাণিজ্যমন্ত্রীদের বৈঠকে উপস্থিত জার্মানির একজন প্রতিনিধির করোনা পজিটিভ সনাক্ত হয়েছে। ফলে জার্মানির অর্থ বিষয়ক মন্ত্রী পিটার আল্টমায়ার গতকাল সন্ধ্যায় ঘোষণা করেন যে,আমাদের একজন প্রতিনিধির করোনা পজিটিভ সনাক্ত হওয়ায় আমাকে চিকিৎসক ১০ দিনের কোয়ারেন্টাইনে থাকার পরামর্শ দিয়েছেন। কাজেই আমি আগামী ১০ দিন হোম অফিস করবো।

মন্ত্রী মার্গারেট শ্রাম্বাক আরও জানান তিনি নিজে করোনার টেস্ট করিয়েছেন তবে রিপোর্ট নেগেটিভ এসেছে। শ্রামব্যাক জানিয়েছেন যে ইউরোপীয় ইউনিয়নের বাণিজ্যমন্ত্রীদের উক্ত বৈঠকে সকলেই পর্যাপ্ত দূরত্ব বা মুখ এবং নাকের সুরক্ষা রাখার মতো প্রয়োজনীয় মাস্ক বৈঠকে সরবরাহ করা হয়েছিল। তবুও, সতর্কতা হিসাবে, আমি আগামী ১০ দিন বাড়িতে কোয়ারান্টিনে থাকবো। এইদিকে চ্যান্সেলারি মন্ত্রী ক্যারোলিন এডস্টাডলারের কোয়ারেন্টাইন আগামী শুক্রবার শেষ হবে বলে জানিয়েছেন বার্তা সংস্থা এপিএ। চ্যান্সেলারি মন্ত্রীর অফিসের একজন সদস্য কোভিড -১৯ সনাক্ত হওয়ার পর তিনি ১০ দিনের কোয়ারান্টাইন চলে যান। বার্তা সংস্থা আরও জানান আইরিশ বাণিজ্যমন্ত্রী লিও ভারাদকার ও তার প্রতিনিধি দলের কোভিড পরীক্ষার রিপোর্ট প্রকাশ আয়ারল্যান্ড সরকার মূলতবী রেখেছেন। অস্ট্রিয়ার মন্ত্রী মার্গারেট শ্রাম্বাক আইরিশ প্রতিনিধির সাথেও আলাদা বৈঠক করেছিলেন।

বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় ভিয়েনা প্রশাসন থেকে বলা হয়েছে আগামী সোমবার থেকে ভিয়েনার রেস্টুরেন্ট বা অন্যান্য খাবারের দোকানে আগত অতিথিদের তাদের নাম,ঠিকানা,টেলিফোন বা ইমেইল নাম্বার ইত্যাদি লিপিবদ্ধ করে আসতে হবে। আজ অস্ট্রিয়ায় করোনায় নতুন করে সংক্রমিত হয়েছেন ৮৩২ জন এবং আজও ৬ জন মৃত্যুবরণ করেছেন। ভিয়েনায় বর্তমানে করোনার সক্রিয় রোগীর সংখ্যা ৪,৪৩৫ জন।

অস্ট্রিয়ায় এই পর্যন্ত মোট করোনায় আক্রান্তের সংখ্যা ৪০,৮১৬ জন এবং মৃত্যুবরণ করেছেন ৭৮৩ জন। করোনার থেকে আরোগ্য লাভ করেছেন ৩১,৬৬১ জন। বর্তমানে দেশব্যাপী করোনার সক্রিয় রোগীর সংখ্যা ৮,৩৭২ জন।এর মধ্যে ক্রিটিক্যাল অবস্থায় আইসিইউতে আছেন ৭৮ জন এবং হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আছেন ৪২২ জন। বাকীরা আছেন নিজ নিজ বাড়িতে আইসোলেশনে।

 9,063 total views,  1 views today