করোনার সংক্রমণ বাড়লেও অস্ট্রিয়া ও জার্মানির সীমান্ত খোলা রাখার সিদ্ধান্ত !

অস্ট্রিয়া ও জার্মানির সীমান্তে চ্যান্সেলর সেবাস্তিয়ান কুর্জ ও জার্মানির বায়ার্ন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীর ঐক্যমত

 অন লাইন ডেস্ক থেকে, কবির আহমেদঃ শুক্রবার অপরাহ্নে অস্ট্রিয়ার সরকার প্রধান Salzburg রাজ্যের সীমান্তবর্তী জার্মানির ওয়ালসারবার্গের রেইচেনহলের জার্মানির শুল্ক হলে জার্মানির বায়ার্ন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী( Minister President) Markus Söder (CSU) এর সঙ্গে বৈঠক শেষে এক সংবাদ সম্মেলনে একথা বলেন। অস্ট্রিয়ার সরকার প্রধান চ্যান্সেলর সেবাস্তিয়ান কুর্জ বলেন,আমরা এখন করোনা মহামারীর দ্বিতীয় প্রাদুর্ভাবের ভিতরে আছি। আগামী বৎসর গ্রীষ্মের পূর্বে স্বাভাবিক জীবনে ফিরে আসার চিন্তা করা যায় না। কাজেই আমাদের নিজেদেরকে এই করোনা ভাইরাসের সাথে তাল মিলিয়েই চলতে হবে।

জার্মানির বায়ার্ন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মার্কুস সোর্ডার তার বক্তব্যে বলেন,Bayern রাজ্যের প্রতিবেশী অস্ট্রিয়ার সাথে তাদের ঐতিহ্যগতভাবে অনেক ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক ও যোগাযোগ রয়েছে। তিনি জোর দিয়ে বলেন,অস্ট্রিয়ায় করোনার সংখ্যা বৃদ্ধি পেলেও বায়ার্নের সাথে সীমান্ত খোলা থাকবে।

চ্যান্সেলর সেবাস্তিয়ান কুর্জ বলেন বায়ার্নের মুখ্যমন্ত্রীর সাথে আমার দ্বিপাক্ষিক গঠনমূলক আলোচনা হয়েছে এবং আমরা নিজেদের পারস্পরিক অর্থনৈতিক স্বার্থেই সীমান্ত উন্মুক্ত রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছি। তিনি বলেন বর্তমান করোনার দ্বিতীয় তরঙ্গে ব্যক্তিগত অনুষ্ঠানে সতর্কতা ও সরকারের বিধিনিষেধ যথাযথভাবে মেনে চললে আমাদের করোনাকে সাথে নিয়ে চলতে কোন অসুবিধা হওয়ার কথা না।

কুর্জ ইউরোপের বর্তমান পরিস্থিতিকে একটি “চ্যালেঞ্জিং” হিসাবে বর্ণনা করেছেন। বিশেষত স্পেন, ফ্রান্স এবং চেক প্রজাতন্ত্রের করোনার নতুন সংক্রমণে উদ্বেগ প্রকাশ করেন এবং এই সব দেশের পরিস্থিতি এখন খুবই “নাটকীয়” পর্যায়ে আছে। কুর্জ দৃঢ়তার সাথে এবং প্রত্যয়ী হয়ে অস্ট্রিয়ায় এই শীতেও নিরাপদ শীতের পর্যটন হতে পারে হতে পারে বলে মন্তব্য করেছেন।

আজ অস্ট্রিয়ায় নতুন করে করোনায় সংক্রমিত হয়েছেন ১,১৩১ জন এবং ৪ জন মৃত্যুবরণ করেছেন। আজ রাজধানী ভিয়েনাতে সংক্রমিত হয়েছেন ৩৯২ জন। অস্ট্রিয়ায় এই পর্যন্ত মোট আক্রান্তের সংখ্যা ৫৩,১৮৮ জন এবং মৃত্যুবরণ করেছেন ৮৪২ জন। করোনার থেকে আরোগ্য লাভ করেছেন ৪২,০৩৯ জন মানুষ। বর্তমানে করোনার সক্রিয় রোগীর সংখ্যা ১০,৩০৭ জন। এর মধ্যে ক্রিটিক্যাল অবস্থায় আইসিইউতে আছেন ১০৩ জন এবং হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আছেন ৫০৮ জন। অবশিষ্টরা নিজ নিজ বাড়িতে আইসোলেশনে আছেন।

 9,142 total views,  1 views today