করোনাভাইরাস, সাড়া বিশ্ব আতঙ্কিত

অন লাইন ডেস্কঃ ১৭২০ সাল: প্লেগ – ১ লাখ মৃত, ১৮২০ সাল: কলেরা – ১ লাখ মৃত, ১৯২০ সাল: স্প্যানিশ ফ্লু – ১০ কোটি  মৃত, ২০২০ সাল: করোনাভাইরাস -???   কাকতালীয় হলেও এখন বাস্তবতা হচ্ছে প্রতি ১০০ বছরে  পৃথিবীতে একবার মহামারী (Pandemic) হচ্ছে। সর্বশেষ ১৯২০ সালের স্প্যানিশ ফ্লুতে সারা দুনিয়ায় আনুমানিক ১০০ মিলিয়ন মানুষ মারা যায়। এযাবৎকালের সেটাই ছিলো সবচাইতে ভয়াবহ মহামারী।                                                         

বর্তমান করোনাভাইরাস কোথায় গিয়ে থামবে সেটা একমাত্র আল্লাহই ভালো জানে। এই ধরনের দুর্যোগ সর্বশক্তিমান আল্লাহ তায়ালার সামনে নগন্য মানুষের অসহায়ত্বের জ্বলন্ত প্রমান। নাস্তিক এবং বিজ্ঞান অস্বীকারকারী কট্টরপন্থী ধার্মিক, উভয় গ্রুপের জন্যই এটি শিক্ষণীয়। দুনিয়ার তাবৎ নাস্তিকরাও আজ যার যার স্রষ্টার কাছে এই দুর্যোগ থেকে পরিত্রানের জন্য ধরনা দিচ্ছে। প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প গত রবিবার, সারাদেশব্যপী করোনা থেকে মুক্তির জন্য প্রার্থনা কর্মসূচি ঘোষনা করেছেন।                                                                                                                                                                                    আবার বিজ্ঞান অস্বীকারকারী কট্টরপন্থী, শুধুমাত্র তাবিজ-কবজ, গোমুত্র সেবনকারীরাও আজ অসহায়। তারাও তাকিয়ে আছে যে কবে বিজ্ঞানীরা এই মহামারী করোনা ভাইরাসের ভ্যাক্সিন আবিষ্কার করবে। প্রকৃত ইসলাম হচ্ছে এই দুটোরই সমন্বয়। ইসলামে আগে ঘোড়ার লাগাম বাধো, তারপর আল্লাহর উপর ভরসা করো। শুধু ঘোড়ার লাগাম বাধলেও হবেনা, আবার শুধু আল্লাহর উপর ভরসা করে বসে থাকলেও হবেনা। ইসলামের স্বর্ণযুগ ছিলো রাসুল (সা:), খোলাফায়ে রাশেদীনদের তাকওয়ার যুগ। এরপরে উমাইয়াদ-আব্বাসিদদের ইসলাম এবং গবেষনার সমন্বয়। আস্তে আস্তে মুসলিমরা যেমন গবেষনা থেকে দূরে সরে যেতে থাকে, তেমনি তাকওয়া থেকেও। তাই একসময়ের দুনিয়া শাসন করা মুসলিমরা আজ সাম্রাজ্যবাদীদের অধীন। একসময়ের ইসলামী শাসনকেন্দ্র স্পেনের কর্ডোভা মসজিদ আজ ক্যাথলিক খ্রিষ্টানদের গির্জা আমরা যেন এই করোনাভাইরাস দুর্যোগ থেকে শিক্ষা নিতে পারি। আমরা যেন আবারো বিজ্ঞান এবং তাকওয়ার সমন্বয় সাধন করে আমাদের সোনালী দিনে ফিরে যেতে পারি।

(লায়ন সাজ্জাদ হোসাইন থেকে সংগৃহীত)

 2,234 total views,  1 views today

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *